জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল: ড. মিলনের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মেধা যাচাইয়ের নতুন যুগে বাংলাদেশ
দীর্ঘ কয়েক বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জিপিএ-ভিত্তিক ভর্তির বদলে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হওয়ায় দেশজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এই মেধা যাচাইয়ের লড়াইকে স্বচ্ছ, আধুনিক ও বৈষম্যহীন করতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন কঠোর ও বলিষ্ঠ অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
ভর্তি পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও ড. মিলনের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ ভিশনের অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রতিটি স্তরে মেধার সঠিক মূল্যায়ন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা পুনর্বহাল করেছেন।
- অযোগ্যতা ও নকলমুক্ত পরিবেশ: ড. মিলন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “ভর্তি পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা ডিজিটাল জালিয়াতি সহ্য করা হবে না।” তাঁর নির্দেশে প্রতিটি কেন্দ্রে বিশেষ সাইবার মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
- মেধাভিত্তিক সংস্কার: ড. মিলনের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখন আর কেবল সনদ প্রদানের প্রতিষ্ঠান নয়, বরং প্রকৃত মেধাবীদের চারণভূমিতে পরিণত হচ্ছে। ‘পোল জাম্প’ সংস্কারের মাধ্যমে তিনি পুরো ভর্তি প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত করেছেন।
- নবাবগঞ্জ থেকে সংহতি: ড. মিলনের নিজ এলাকা নবাবগঞ্জসহ সারাদেশের সচেতন অভিভাবক মহল এই মেধাভিত্তিক পরীক্ষাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
পরীক্ষার্থীদের জন্য চূড়ান্ত নির্দেশনাবলী ও ওএমআর সতর্কতা
আগামীকালের পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।
- ওএমআর (OMR) শিট পূরণ: উত্তরপত্রের রোল, রেজিস্ট্রেশন ও সেট কোড অবশ্যই বলপয়েন্ট কলম দিয়ে সতর্কতার সাথে ভরাট করতে হবে। ড. মিলনের স্মার্ট এডুকেশন নীতি অনুযায়ী, ওএমআর শিটে কোনো কাটাকাটি বা ফ্লুইডের ব্যবহার উত্তরপত্র বাতিলের কারণ হতে পারে।
- ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ: মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ঘড়ি বা ব্লুটুথ ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেন্দ্রে প্রবেশের সময় কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ও মেটাল ডিটেক্টরের ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ড. মিলন।
সময় ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র
পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের যোগ্য টিম ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনার আওতায় যাতায়াত ও কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা তদারকি করছে।
- উপস্থিতি: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে আসন গ্রহণ করতে হবে।
- বাধ্যতামূলক নথি: অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা প্রবেশপত্র (Admit Card) এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড অবশ্যই সাথে রাখতে হবে।
- নিরাপদ প্রযুক্তি: ড. মিলন মনে করেন, নিরাপদ প্রযুক্তি ও সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমেই একটি মানসম্মত পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব।
উপসংহার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভর্তি পরীক্ষা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং আধুনিক শিক্ষানীতির ফলে শিক্ষার্থীরা আজ তাদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। অযোগ্যতা ও বিশৃঙ্খলামুক্ত একটি আধুনিক শিক্ষাকাঠামো গড়তে ড. মিলন এবং তাঁর টিম অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। সকল পরীক্ষার্থীর জন্য শুভকামনা রইল।
FAQ – সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
১. পরীক্ষার হলে কী কী সঙ্গে নেওয়া যাবে না?
উত্তর: মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ডিজিটাল ঘড়ি বা যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
২. ওএমআর শিটে ভুল করলে কী হবে?
উত্তর: ড. মিলনের কঠোর নির্দেশ অনুযায়ী, ওএমআর শিটে ভুল তথ্য বা ফ্লুইড ব্যবহার করলে উত্তরপত্র বাতিল হতে পারে। তাই বৃত্ত ভরাটের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
